Latest Posts
বিশ্ববিদ্যালয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিশ্ববিদ্যালয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৪

বিদ্যুৎ চুরি ঠেকাতে স্মার্ট উদ্ভাবন

বিদ্যুৎ চুরি ঠেকাতে একটি বিশেষ যন্ত্র উদ্ভাবন করেছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ)-এর তড়িৎকৌশল বিভাগের চার শিক্ষার্থী। জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহ-২০১৪ উপলক্ষে আয়োজিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রতিযোগিতায় এটি দ্বিতীয় সেরা প্রকল্প হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।

উদ্ভাবক দলের সাথে কথা বলে জানা গিয়েছে, যন্ত্রটিতে থাকছে দুটি অংশ যার একটি থাকবে বিদ্যুৎ মিটারে এবং অপর অংশটি থাকবে মূল লাইনের খুঁটিতে। যেকোনো অবৈধ সংযোগ শনাক্ত করা মাত্রই যন্ত্রটি খুঁটিতে থাকা শনাক্তকারী ডিভাইসের মাধ্যমে সংকেত পাঠাবে নিয়ন্ত্রণ কক্ষে। সেখান থেকে সহজেই জানা যাবে কোন খুঁটি থেকে চোরাই সংযোগ নেওয়া হয়েছে।

যন্ত্রটির উদ্ভাবক দলের সদস্য সৈয়দ মুহাম্মদ মাসরুর রহমান জানান," আমাদের দেশে উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি বড় অংশ চোরাই সংযোগের মাধ্যমে চুরি হয়ে যায়। এর ফলে সরকার যেমন রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, তেমনি বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানেও বেগ পেতে হচ্ছে এই খাতের সংশ্লিষ্টদের। আমাদের তৈরি যন্ত্রটি এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আমরা মনে করছি।"

দলের আরেক সদস্য মোঃ জুবায়ের হোসেন জানান," এতে যদি সিম কার্ড ব্যবহার করা যায়, তাহলে মোবাইল ফোনে এসএমএস'র মাধ্যমেই তাৎক্ষণিকভাবে অবৈধ সংযোগের তথ্য পাওয়া সম্ভব।" দলের অন্য দুই সদস্য মোস্তাক মাহমুদ রনি এবং আবির রায়ও প্রকল্পটি নিয়ে তাঁদের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউআইইউ'র স্কুল অফ সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডীন এবং প্রকল্পটির তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. এস এম লুতফুল কবির বলেন," দেশে বিদ্যুৎ চুরি শনাক্ত করতে এটিই প্রথম উদ্ভাবন। এর মাধ্যমে মাত্র হাজারখানেক টাকা ব্যয়ে একটি কার্যকরী ডিভাইস তৈরি করা সম্ভব যার মাধ্যমে খুব সহজেই বিদ্যুৎ চুরি রোধ করা যাবে। আর এর সুবিধাভোগী হবে এদেশেরই জনগণ।"

তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যেই ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) পাইলট প্রকল্প আকারে এটি ব্যবহারের প্রাথমিক প্রস্তাব দিয়েছে।
more »

সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৪

বাংলাদেশে তৈরি হবে মনুষ্যবিহীন ড্রোন

বন্যা দুর্গত এলাকা, ত্রাণের অভাব। দুর্গম এলাকায় ওষুধও পৌঁছানো যাচ্ছেনা। অথচ অসহায় মানুষগুলি সাহায্যের আশায় মরিয়া হয়ে বসে আছেন। এমন পরিস্থিতিতে ওষুধপত্র পৌঁছে দেওয়া হলো দুর্গত এলাকার মানুষের কাছে। সরকারি কিংবা বেসরকারি সংস্থা যেখানে ব্যর্থ সেখানে সবার মুখে হাসি ফুটিয়ে দিল পাঁচ তরুণ বিজ্ঞানী। ঢাকার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পাঁচ তরুণ তৈরী করলেন এমন একটি অত্যাধুনিক ড্রোন কপ্টার। যে ড্রোন বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষকে সাহায্য করবে।এই রোবিটিক্স দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন নাহিদ ফিরদৌস। রোবটিক্স টিমের উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডক্টর মহম্মদ ফয়জুর রহমান। টিমের অন্যান্য সদস্যরা হলেন এসিস্ট্যান্ট টিম লিডার মোবারক হোসাইন, সঞ্জিব দাস, সজীব গাঙ্গুলি ও মাসুদ রানা। এরা সবাই ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভিার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র-ছাত্রী।

নাহিদ জানিয়েছে, তাদের তৈরী ড্রোনটি শুধুমাত্র উদ্ধার কার্যে নয় বাংলাদেশ সেনাবহিনী এটি যুদ্ধের কাজেও ব্যবহার করতে পারবে। শত্রুদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতেও সক্ষম এই ড্রোনটি। শুধু তাই নয়, ড্রোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে আল্ট্রাসোনিক সেন্সর। যার মাধ্যমে এটি কতটুকু উচ্চতায় রয়েছে তা বের করা সম্ভব। এ ড্রোনটি যে কোনও জায়গায় স্থির দাঁড়িয়ে থাকতেও সক্ষম। ড্রোনটি ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এটি এক হাজার মিটার উচ্চতায় উড়তে পারে। আর ৩ কেজি ওজন বহন করার ক্ষমতাও ধরে।ড্রোনটি তৈরী করতে এক লক্ষ টাকা খরচ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে নাহিদ ফিরদৌস৷ নিজেদের তৈরী ওই ড্রোনটি সম্প্রতি বাংলাদেশের মিলিটারী ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টোকনোলজি আয়োজিত অ্যারো ডিজাইন কম্পিটিশন অ্যান্ড এক্সিবিশন ২০১৪-য়ে প্রথম পুরষ্কারে ভূষিত হয় ৷ নাহিদ জানিয়েছে, ড্রোনটিতে এখন লাইফটাইম বাড়ানোর কাজ চলছে। এছাড়া কিভাবে কম পাওয়ার ব্যবহার করে বেশী সময় ধরে ড্রোনটিকে ওড়ানো যায় সেই চেষ্টায় মশগুল তারা ৷
more »

শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৪

মেহেদী তৈরি করেছেন বৈদ্যুতিক ঘাস কাটার যন্ত্র

নিজের সাধের বাড়ি অনেক শখ করে সাজাতে কে না পছন্দ করে? শখ করে বাড়ির সামনের অংশে অনেকেই বানিয়ে ফেলেন সুন্দর সাজানো-গোছানো বাগান। কিন্তু বাগানের ঘাসগুলো যখন বড্ড বেশি বড় হয়ে যায় তখন পুরো বাড়ির সৌন্দর্যটাই যেন মলিন হয়ে যায়।

এছাড়া গ্রামের কোন কৃষি প্রধান পরিবারের কথাই ধরা যাক। তাদের জীবিকার মূল উৎসই যেখানে কৃষিকাজ। জমির লাঙ্গল ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও যেমন দেখতে হয় তেমনি জমিতে আগাছা দূরীকরণের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হয়।

সাজানো-গোছানো বাগানের ঘাসগুলো ছেঁটে কিভাবে ছোট করা যায় বা কৃষি জমির আগাছা ছেঁটে ফেলার উপায় কি? হয়তো সেই প্রাচীন আমলের এনালগ পদ্ধতি ব্যবহার করা কিংবা ঘাস কাটার কাঁচি বা নিড়ানি ব্যবহারের উপায় বেশিরভাগ মানুষের মাথায় আসতে পারে, যা অনেক পুরনো পদ্ধতি এবং সময় সাপেক্ষও বটে।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এর ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান মেহেদী তৈরি করেছেন বৈদ্যুতিক ঘাস কাটার যন্ত্র ইলেক্ট্রিক গ্রাস কাটার মেশিন (Electric Grass Cutter Machine)। বাজারে প্রচলিত সব ঘাস কাটার মেশিনই দুই স্ট্রোক বিশিষ্ট পেট্রোল ইঞ্জিনে চলে। আমাদের দেশে পেট্রোলের মূল্য ও প্রাপ্যতায় কমবেশি সবারই অনাকাঙ্ক্ষিত হয়রানির অভিজ্ঞতা রয়েছে! সেই ভাবনা থেকেই ইলেকট্রিক গ্রাস কাটারের উদ্ভাবন। কারণ বিদ্যুৎ এখানে তুলনামূলক বেশি সহজলভ্য। আর নরম মাটিকে গাছ লাগানোর উপযোগী করতে লাঙ্গল হিসেবেও যন্ত্রটিকে ব্যাবহার করা যাবে।

নাইনএএইচ (9Ah)-এর দুটো রিচার্জেবল ব্যাটারি যুক্ত থাকায়, একবার চার্জ দিলে যন্ত্রটি চলবে একটানা প্রায় তিন ঘণ্টা। যদিও এটি প্রাথমিক অবস্থার একটি কাজ। আরও উন্নত ১২ কিংবা ২৪ ভোল্টের মোটর লাগিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যেতে পারে। এমনকি ব্যাটারির Ah (এম্পিয়ার-ঘন্টা) বাড়িয়েও মেশিনটির কার্যকাল বাড়ানো যাবে। প্রাথমিক অবস্থায় ৪০০০ rpm (প্রতি মিনিটের ঘূর্ণন)-এর ১২ ভোল্ট ব্রাশড্ মোটর ব্যাবহার করা হয়েছে। যার টর্ক প্রায় ৫০০ g.cm (গ্রাম-সেন্টিমিটার)। যন্ত্রটির ওজন ব্যাটারির ওজন এর ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। 9Ah ব্যাটারির জন্য যন্ত্রটির ওজন হয়েছে প্রায় ১০ কেজি। সামনে দুটো বিয়ারিং হুইল রয়েছে যেটি দিয়ে সামনে বা পেছনে এবং ডানে বা বামে ঘুরানো যাবে। মোটরের স্পিড কমানো বা বাড়ানোর জন্য কিছু ইলেকট্রনিক্স কন্ট্রোলিং সিস্টেম ব্যাবহার করা হয়েছে। এতে নব ঘুরিয়ে মোটরের স্পিড খুব ভালোভাবে রেগুলেটর করা যায় , যা অন-অফ সুইচের পাশেই রয়েছে। ব্লেড হিসেবে দুটি চার ইঞ্চি চওড়া খুবই পাতলা সীসার পাত ব্যাবহার করা হয়েছে। একটি প্লাস্টিক ফ্রেম ব্লেড দুটোকে রোটরের সাথে আটকে রেখেছে। খুবই ঝুরঝুরে ও হালকা নরম মাটিতে এটি লাঙল হিসেবে সহজেই ব্যবহার করা যাবে । এতে শুধু ঐ প্লাস্টিক ফ্রেমের ব্লেডটি খুলে নিয়ে বিশেষ ইস্পাতের পাতলা লাঙল ব্লেড লাগাতে হবে ।

স্টিয়ারিংয়ের জন্য হাতল ছাড়া আলাদা কোন ব্যবস্থা আপাতত নেই। যন্ত্রটিকে ভালোভাবে ব্যবহারের জন্য ঠেলে নিয়ে যেতে হবে। লাঙল হিসেবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এটি আপাতত ০.৫০ ইঞ্চির বেশি গভীরে যেতে পারেনা। মোটরের পাওয়ার রেটিং বাড়ালে এটি আরও কর্মক্ষম হবে। যন্ত্রটির সামনের হুইলের উচ্চতা ও পুলারের (মেশিনটি টানা মানুষ) ইচ্ছা অনুযায়ী যে কোন উচ্চতার ঘাস কাটা যাবে। ইলেকট্রিক গ্রাস কাটার বানাতে মোট খরচ হয়েছে আনুমানিক ৯০০০ টাকা। যদিও আরও উন্নয়নের মাধ্যমে যন্ত্রটির উৎপাদন খরচ কমানো সম্ভব। ১২ ভোল্টের ব্যাটারি চার্জ দেয়ার জন্য একটা ব্যাটারি চার্জারও বানিয়ে নেয়া হয়েছে, যেটি ১৮ ভোল্ট ডিসি সাপ্লাই দিতে পারে।

মূলত এই ইলেকট্রিক গ্রাস কাটার যন্ত্রটি আশিক মেহেদী একাই বানিয়েছেন তবে এই প্রোজেক্টটির পেছনে প্রাথমিক উদ্যোগ নিতে সল্যুশন নির্ভর কনসালটেন্সি ফার্ম ও প্রতিষ্ঠান 'EMS Solutions' এর ভূমিকা রয়েছে। জামালপুরের ছেলে আশিক মেহেদী উচ্চ মাধ্যমিক পড়েছেন ময়মনসিংহের সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজে। স্বপ্নবাজ এই তরুণের উদ্ভাবনী চিন্তাটি মাথায় আসে বড় ভাই, ক্যাপ্টেন আরিফের কাছ থেকে। বড় ভাইয়ের অনুপ্রেরণা ও আর্থিক সহযোগিতায় প্রোজেক্টটিকে সফল করেছেন তিনি। অনেক কষ্টের ফল এই প্রোজেক্ট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রাথমিক এক্সিবিশনেও স্থান করে নিয়েছে।

পেট্রোল বা ডিজেল চালিত ঘাস কাটার মেশিন ব্যবহার অনেক ব্যয়বহুল এবং পেট্রোল ও ডিজেল এর ঊর্ধ্বমুখী মূল্যের বাজারে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরেই বলা চলে। তাই আধুনিকতার এই যুগে এই সব পদ্ধতিগুলোকে সেকেলেই বলা চলে।
more »

মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৪

সেলফির মাধ্যমে ঢাবিকে তুলে ধরলো মিরাজ ও আকিব

সেলফি জ্বরে ভুগছে সারা বিশ্ব। সেলফি তুলতে গিয়ে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে অনেক। কিন্তু সেলফি তোলা কমেনি। যেখানেই যাওয়া হোক না কেনো বন্ধুদেরকে সঙ্গে নিয়ে সেলফি না তুললে যেন কিছু মিস হয়ে গেলো।

তবে সমগ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছবি তুলে সেলফিতে ভিন্ন মাত্রা যুক্ত করলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মিরাজ হোসাইন এবং আকিব জাহিদ।

এই দুই শিক্ষার্থী ঢাবির প্রতিটি প্রান্তের সঙ্গে সেলফি তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় তুলে ধরেছেন। 'Welcome to Paradise' শিরোনামে একটি গান ওই সেলফি ভিডিওয়ের ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ভবন এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার চিত্র তুলে ধরেছেন মিরাজ ও আকিব।


এ বিষয়ে মিরাজ হোসেন বলেন, 'আমরা সেলফি ভিডিওটি শিক্ষার্থীদের জন্য উপভোগ্য করার চেষ্টা করেছি। এ ভিডিওটিতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ঐতিহাসিক ও নান্দনিক জায়গাগুলোর সেলফি তুলে সেসব যুক্ত করা হয়েছে। আশা করি, এর মাধ্যমে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় সারাদেশসহ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে।'

ভিডিওটি দেখে ইতোমধ্যেই অনেক শিক্ষার্থীই উৎফুল্ল। অনেকেই তাদের সঙ্গে দেখা করতে চাচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা বলছেন, দারুণ একটি ভিডিও। খুবই উপভোগ্য। এদিকে, ভিডিওটি ঢাবির বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও পেজে ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রায় ৪ মিনিটির ওই সেলফি ভিডিওটি 'welcome to paradise – universoty od dhaka' শিরোনামে আকিব জাহিদের ইউটিউব আইডি থেকে আপলোড করা হয়েছে।
more »
PaidVerts

ধন্যবাদ

এই ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। যদি ব্লগের কোন পোষ্ট ভাল লাগে তাহলে ব্লগটিকে শেয়ার করুন।

পৃষ্ঠাসমূহ

© 2013 IT News 24 এই সাইটের কিছু পোষ্ট সংগ্রহকৃত Blogger