জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী প্রসূন আজাদ সম্প্রতি তার ফেসবুক একাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দেন। আর এই স্ট্যাটাসেই যেন নরেচরে বসল ভক্তরা। এই স্ট্যাটাসে প্রসূনের নানা ভাবে বঞ্চিত হবার কথাই উঠে এসেছে। তবে কি ছিল সেই স্ট্যাটাসে? চলুন জেনে নিই।
মঙ্গলবার মধ্য রাত ৩ টার দিকে প্রসূন তার ফেসবুকে লিখেন,
আর কোনো নিউজ করে কিছু হবে না। সকল সাংবাদিক আমার জন্য যথেষ্ট সাহায্য করেছেন কিন্তু তারা নিশ্চয়ই হাতাহাতি করে আমার পারিশ্রমিক এনে দেবেন না। ধন্যবাদ সকল সংবাদ মাধ্যমগুলোকে। প্রচুর নিউজ হচ্ছে,হবে। কিন্তু শেষমেষ এটাও একটি বড় দাবার চাল। আমি একটি পয়সাও পাব না। কারন নেগেটিভ পাবলিসিটি করে একটা আওয়াজ তুলতে চেয়েছেন কাজী মারুফ যেনো সর্বনাশা ইয়াবা সিনেমার প্রচার হয়। উনার আত্নসম্মান এবং ব্যক্তিত্ববোধ নিয়ে আমার সন্দেহ নেই। যদি তা না হত এতদিনে উনি আমাকে আমার প্রাপ্য বুঝিয়ে দিতেন। যথেষ্ট বিচার জ্ঞান থাকার পরো উনি এটাই করছেন। আমি খোলা চিঠিতে আপনাকে বলতে চাই আমি অভিনয় করার সময় কিন্তু অভিনয় কম কম করিনাই মারুফ। এই ইন্ড্রাস্টিতে থাকতে হলে যদি স্টেন্ডবাজি করে স্টার হতে হয় তাহলে গুন্ডা মাস্তান হউয়া উচিত ছিল আমার। আমার প্রথম আফসোস "কেন যে আমার বাবা মা সরকারি কর্মকর্তা হয়ে আমাকে অভিনয় শিল্পী করে তুলছে"। তার থেকেও বড় আফসোস কাজী হায়াতের মত যে আমার কেন একটা বাবা নাই, দেখতেন সিনেমাকে স্টেন্ডবাজী ছাড়া কোথায় নিয়ে যেতাম। সেল্যুট আপনাদের এসব সিনেমার পলিটিক্সকে। ভাগ্য ভালো দেশ চালানোর দায়িত্ব আপনাদের হাতে নাই। নইলেত এই স্টেটাস লেখার পর রাস্তায় আমার লাশ পড়ে থাকত। কারন কাজী মারুফ আপনি ব্যক্তি মানুষটা যতটা ভালো আপনার ফিল্ম পলিটিক্স ততটাই জঘন্য।
প্রসঙ্গত অনেক চড়াই-উতরাইয়ের পর অবশেষে গত ১৪ নভেম্বর মুক্তি পায় প্রসূন আজাদের প্রথম চলচ্চিত্র ‘সর্বনাশা ইয়াবা’। তবে চলচ্চিত্র ভাগ্যটি হয়তো প্রসন্ন নয় প্রসূন আজাদের। প্রথম সিনেমাতেই নানাভাবে বঞ্চিত হতে হয়েছে এই তারকাকে। সিনেমার ডাবিংয়ে তার কণ্ঠের পরিবর্তে অন্য কণ্ঠ ব্যবহার করাসহ ডাবিংয়ের অজুহাতেই তাকে পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত করা হয় এই তারকাকে।
মঙ্গলবার মধ্য রাত ৩ টার দিকে প্রসূন তার ফেসবুকে লিখেন,
আর কোনো নিউজ করে কিছু হবে না। সকল সাংবাদিক আমার জন্য যথেষ্ট সাহায্য করেছেন কিন্তু তারা নিশ্চয়ই হাতাহাতি করে আমার পারিশ্রমিক এনে দেবেন না। ধন্যবাদ সকল সংবাদ মাধ্যমগুলোকে। প্রচুর নিউজ হচ্ছে,হবে। কিন্তু শেষমেষ এটাও একটি বড় দাবার চাল। আমি একটি পয়সাও পাব না। কারন নেগেটিভ পাবলিসিটি করে একটা আওয়াজ তুলতে চেয়েছেন কাজী মারুফ যেনো সর্বনাশা ইয়াবা সিনেমার প্রচার হয়। উনার আত্নসম্মান এবং ব্যক্তিত্ববোধ নিয়ে আমার সন্দেহ নেই। যদি তা না হত এতদিনে উনি আমাকে আমার প্রাপ্য বুঝিয়ে দিতেন। যথেষ্ট বিচার জ্ঞান থাকার পরো উনি এটাই করছেন। আমি খোলা চিঠিতে আপনাকে বলতে চাই আমি অভিনয় করার সময় কিন্তু অভিনয় কম কম করিনাই মারুফ। এই ইন্ড্রাস্টিতে থাকতে হলে যদি স্টেন্ডবাজি করে স্টার হতে হয় তাহলে গুন্ডা মাস্তান হউয়া উচিত ছিল আমার। আমার প্রথম আফসোস "কেন যে আমার বাবা মা সরকারি কর্মকর্তা হয়ে আমাকে অভিনয় শিল্পী করে তুলছে"। তার থেকেও বড় আফসোস কাজী হায়াতের মত যে আমার কেন একটা বাবা নাই, দেখতেন সিনেমাকে স্টেন্ডবাজী ছাড়া কোথায় নিয়ে যেতাম। সেল্যুট আপনাদের এসব সিনেমার পলিটিক্সকে। ভাগ্য ভালো দেশ চালানোর দায়িত্ব আপনাদের হাতে নাই। নইলেত এই স্টেটাস লেখার পর রাস্তায় আমার লাশ পড়ে থাকত। কারন কাজী মারুফ আপনি ব্যক্তি মানুষটা যতটা ভালো আপনার ফিল্ম পলিটিক্স ততটাই জঘন্য।
প্রসঙ্গত অনেক চড়াই-উতরাইয়ের পর অবশেষে গত ১৪ নভেম্বর মুক্তি পায় প্রসূন আজাদের প্রথম চলচ্চিত্র ‘সর্বনাশা ইয়াবা’। তবে চলচ্চিত্র ভাগ্যটি হয়তো প্রসন্ন নয় প্রসূন আজাদের। প্রথম সিনেমাতেই নানাভাবে বঞ্চিত হতে হয়েছে এই তারকাকে। সিনেমার ডাবিংয়ে তার কণ্ঠের পরিবর্তে অন্য কণ্ঠ ব্যবহার করাসহ ডাবিংয়ের অজুহাতেই তাকে পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত করা হয় এই তারকাকে।


About the Author


0 comments :